ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet খোকসায় পুলিশের অভিযানে দুই মামলার আসামি গ্রেপ্তার Headline Bullet গত ৫৫ বছরে সবজির দাম স্থিতিশীল রাখতে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি;বানিজ্য মন্ত্রী Headline Bullet আইইডিসি‌আরে রুমে ঢুকে পরিচালককে মারধর করার অভিযোগ Headline Bullet ভেড়ামারায় বিধবার দুই ছাগল চুরির অভিযোগে ২ জন গ্রেপ্তার Headline Bullet চুয়াডাঙ্গায় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে রক্তক্ষয়ী হামলা ডেগারের আঘাতে যুবক আশঙ্কাজনক Headline Bullet পাংশায় ইয়াবা সেবনের দায়ে ৫ জনের কারাদণ্ড Headline Bullet মেহেরপুরে খেলনা পিস্তল দিয়ে ভয় দেখাতে গিয়ে আটক ২ Headline Bullet মুন্সীগঞ্জে এক নারীর অগোচরে গোসলের আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে চাঁদা দাবি Headline Bullet কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধের দাবিতে মানববন্ধন Headline Bullet খোকসায় একাধিক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

সু-বিচার ও বারংবার মিথ্যা হয়রানি মূলক মামলা হতে অব্যাহতির জন্য সংবাদ সম্মেলন


মেহেরপুর প্রতিনিধি \ সু-বিচার ও বারংবার মিথ্যা হয়রানি মূলক মামলা হতে অব্যাহতির জন্য সংবাদ সম্মেলন করেছে মেহেরপুরে গাংনী উপজেলার করমদী গ্রামের আব্দুল হান্নান নামের এক ব্যবসায়ী। সোমবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে মেহেরপুর জেলা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। আব্দুল হান্নান গাংনীর করমদি গ্রামের মৃত আফেল উদ্দিনের ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল হান্নান বলেন, বিএনপি জামাত মাদক ব্যবসায়ী দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ২০১৮ সালের ১৯ নভেম্বর রাতে একটি দোকানে বসা অবস্থায় এস আই মকবুল ও আর ওয়ান মোস্তফা আহম্মেদসহ ৪ জন পুলিশ সদস্য আমাকে আকড়ে ধরে। পরে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে একটি মাইক্রোবাসে তোলে। এসময় আমার কাছে থাকা ৮৩ হাজার টাকা কেড়ে নেয় এসআই মকবুল। পরে একটি মাঠের ভিতর নিয়ে গিয়ে আর ওয়ান মোস্তফা আমাকে বলে ১০-১২ লাখ টাকা দিতে পারবি কিনা বল। তখন আমি বলি আমার কাছে ৮৩ হাজার টাকা ছিল সেটা মকবুল স্যার নিয়ে নিয়েছে। আমার কাছে আর টাকা নেই।
পরে রাত সাড়ে ১০ টার দিকে আমাকে থানায় হস্তান্তর করে। আমার সাথে আরও দুইজন আসামী ছিল। পর দিন আমাকে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে আমার বড় ভাই মুন্নাতের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা নেয় আর ওয়ান মোস্তফা। তারপরও আমাকে অস্ত্র ও গাজাঁ মামলায় চালান করা হয়।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন কারাভোগের পর সু বিচার পাওয়ার জন্য ২০১৯ সালের ১৬ এপ্রিলে বাংলাদেশ মানবাধিকারের মাধ্যমে মামলার কাগজপত্রাদি সহ প্রশাসনিক উচ্চ মহলে আবেদন করি। একই বছর ৮ জুলাই মেহেরপুর আদালতে একটি সি আর মামলা দায়ের করি। যার নাম্বার ২০৭/১৯।
বর্তমানে মামলাটি মেহেরপুর সিআইডির তদন্তাধীন রয়েছে। আমার সিআর মামলার আসামীরা একই বছর ২ ডিসেম্বর আমার নামে পুনরায় জি আর মামলা দায়ের করেন। এরপর বিভিন্ন কায়দায় আমার নাম ফাইনাল চার্জশিটে যোগ করে দেয়। এমতাবস্থায় মেহেরপুর জি আর ৩১৮/১৮, ৩১৯/১৯ ও ২৭৩/১৯ মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতি পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করছি।


     এই বিভাগের আরো খবর